হানিট্র্যাপ (Honey Trap) মামলার তদন্তে নতুন তথ্যের দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, বাংলায় একটি মহিলা চক্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে সুন্দরী তরুণী এবং মডেলিংয়ে আগ্রহী যুবতীদের টার্গেট করা হচ্ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া অর্পিতা সরকারকে মডেলিং এবং অভিনয়ের সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দলে টানা হয়েছিল (Honey Trap)। পরে তাঁকে বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হানিট্র্যাপের কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন।
তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতাকে সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে কীভাবে লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, কীভাবে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে এবং কীভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করতে হবে, সেই বিষয়ে বিদেশ থেকে নির্দেশ এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল (Honey Trap) বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই দাবিও এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
তদন্তে আরও জানা যাচ্ছে বলে দাবি, হামিম মণ্ডল সামাজিক মাধ্যমে তরুণীদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলত। পরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করে তাঁদের এই চক্রে যুক্ত করার চেষ্টা করা হতো। প্রয়োজনে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হতো বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ।
তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই মামলায় অর্পিতা সরকার ছাড়াও আরও কোনও মহিলা যুক্ত ছিলেন কি না (Honey Trap)। পাশাপাশি আর কারা এই চক্রের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন এবং কতজনকে একই কৌশলে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।
তদন্তকারীদের আরও দাবি, এক মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ রেখে অর্থ আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি অপহরণের ছকও ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত হয়নি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।











