লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী সংশোধনী বিল (Anti Paper Leak Bill)। বিরোধীদের ওয়াকআউটের মধ্যেই বিলটি গৃহীত হয়। আগামী দিনে এই আইনের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র-যুবরা আন্দোলনে সামিল হন। এরপরই কেন্দ্র সরকার জানায়, প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে বিদ্যমান আইন আরও কঠোর করা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধনী বিল (Anti Paper Leak Bill) সংসদে আনা হয় এবং লোকসভায় তা পাশ হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই প্রশ্ন ফাঁস রুখতে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর বিলটি (Anti Paper Leak Bill) সংসদে পেশ করা হয়। আলোচনা চলাকালীন বিরোধী সাংসদেরা ওয়াকআউট করেন। তাঁদের দাবি, শুধু নতুন আইন নয়, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাগুলি কেন ঘটছে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত।
নতুন আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি আরও কঠোর করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি ন্যূনতম এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। শুধু অপরাধী নয়, অপরাধের তথ্য গোপন করলেও কঠোর আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
আইনে আরও বলা হয়েছে, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। তার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। অর্থাৎ মোট পাঁচ মাসের মধ্যেই তদন্ত ও বিচার শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন উচ্চ আদালতে দ্রুত বিচার ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।









