মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করতে বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এই অধিবেশন (Parliament)। তবে এই অধিবেশনেই লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। কেন্দ্র সেই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার প্রস্তাব দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একটি খসড়া বিল তৈরি করা হয়েছে এবং সাংসদদের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে (Parliament)।
সরকার ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ পাশ করেছিল, যেখানে বলা হয়েছিল লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে (Parliament)। তবে সেই সংরক্ষণ কার্যকর হবে আসন পুনর্বিন্যাসের পর। এখন কেন্দ্র চাইছে, নতুন জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই এই পুনর্বিন্যাস করা হোক।
এরপরই মহিলাদের জন্য নির্ধারিত ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। লক্ষ্য রাখা হয়েছে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই এই প্রক্রিয়া শেষ করা।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে সরকার নিজেদের সুবিধামতো আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। তাদের আশঙ্কা, এতে উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলির আসন বাড়লেও দক্ষিণ ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলির আসন তুলনামূলকভাবে কমে যেতে পারে।
খসড়া বিল হাতে পাওয়ার পর বিরোধী দলগুলি বৈঠকে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বিরোধী নেতারা একত্রিত হতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যের নেতারাও সেই বৈঠকে যোগ দিতে পারেন।
বিরোধীদের দাবি, বিশেষ অধিবেশনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এই প্রস্তাব পাশ করানোর চেষ্টা হতে পারে। ফলে অধিবেশন শুরুর আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে পৌঁছেছে।













