জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে খামখেয়ালি আবহাওয়ার কারণে শহরজুড়ে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ বেড়েছে। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে অনেক পরিবারেই একাধিক সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এর মধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালের সাম্প্রতিক রিপোর্ট চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার পাশাপাশি কয়েকজনের শরীরে করোনা সংক্রমণও ধরা পড়েছে (Corona Virus)।
চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা আক্রান্তের (Corona Virus) সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। সম্প্রতি কলকাতায় আট জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার পর চিকিৎসক মহলে সতর্কতা আরও জোরদার হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ জ্বর বা সর্দি-কাশি হলেই সেটিকে করোনা বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
চিকিৎসকদের ব্যাখ্যায় জানা গিয়েছে, করোনাভাইরাস (Corona Virus) এবং কোভিড এক বিষয় নয়। করোনাভাইরাস একটি বড় ভাইরাস গোষ্ঠী, যার মধ্যে সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য দায়ী একাধিক ভাইরাসও রয়েছে। তাই কিছু পরীক্ষায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হলেও তার অর্থ এই নয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোভিডে আক্রান্ত। অনেক সময় পরীক্ষার ফল ভুলভাবে বোঝার কারণে অকারণ আতঙ্ক তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালগুলিতে সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বিশেষ শ্বাসনালির পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শ্বাসযন্ত্রে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে চিকিৎসকেরা দ্রুত সঠিক চিকিৎসা শুরু করতে পারছেন (Corona Virus)।
বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে মূলত জ্বর, কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে চিকিৎসকদের দাবি, এখন পর্যন্ত ভাইরাসের প্রভাব আগের মহামারির সময়ের তুলনায় অনেকটাই কম। তবুও অসুস্থ হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ পথ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।













