রাজ্যসভার (Rajya Sabha) তিনটি শূন্য আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই ঘোষণার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে তৃণমূলের দুই শিবির। দলের প্রতীক ও নেতৃত্বের অধিকার নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই প্রশ্ন উঠছে, উপনির্বাচনে কোন শিবির প্রার্থী দেবে, নাকি দুই পক্ষই নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে মাঠে নামবে।
রাজ্যসভার (Rajya Sabha) তিনটি আসন শূন্য হয়েছে সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশচিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের পর। মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা শুরু হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৪ জুলাই। ভোট গ্রহণ হবে ২৪ জুলাই।
এখনও পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৃণমূলকে ঘিরেই। দলের প্রতীক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই শিবিরের বিরোধ এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে উপনির্বাচনে কারা প্রার্থী দেবে, তা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি (Rajya Sabha)।
দলীয় সূত্রের দাবি, প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও এখনও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। ফলে রাজ্যসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।
এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে রাজ্যসভার এই তিনটি আসনে বিজেপির অবস্থান শক্তিশালী বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা। তাই গেরুয়া শিবির কাদের প্রার্থী করবে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।
সম্প্রতি কলকাতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা রাজ্যসভার সদস্য (Rajya Sabha) সুখেন্দুশেখর রায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের জল্পনা, তিনি বা প্রকাশচিক বরাইক বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
অন্যদিকে, সুস্মিতা দেব পদত্যাগের পর অসমের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার ইচ্ছার কথা আগেই জানিয়েছিলেন। ফলে রাজ্যসভার এই তিনটি আসনে শেষ পর্যন্ত কোন দল কাকে প্রার্থী করে এবং তৃণমূলের দুই শিবির কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।













