Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • রামমন্দিরে কোটি টাকার অনুদান কেলেঙ্কারি! মোবাইল ফরম্যাট করে কী লুকোতে চাইলেন অভিযুক্তরা?
দেশ

রামমন্দিরে কোটি টাকার অনুদান কেলেঙ্কারি! মোবাইল ফরম্যাট করে কী লুকোতে চাইলেন অভিযুক্তরা?

ram mandir editing
Email :140

অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদানের টাকা তছরুপের অভিযোগে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য (Ram mandir)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজন অভিযুক্ত প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ, কেউ মোবাইল থেকে হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলেছেন, আবার কেউ পুরো মোবাইল ফোনই ফরম্যাট করে দিয়েছেন, যাতে তদন্তে কোনও তথ্য হাতে না আসে।

রবিবার একযোগে আট অভিযুক্তের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ (Ram mandir)। স্থানীয় বিচার বিভাগের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে লাভকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, রামাশঙ্কর যাদব-সহ সকল অভিযুক্তের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, অনুদানের টাকা কোথায় গিয়েছে এবং কীভাবে সেই অর্থ সরানো হয়েছে।

কয়েক দিন আগে আদালত আট অভিযুক্তকে ঊনত্রিশ জুন পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। সোমবার তাঁদের আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনার সঙ্গে মন্দিরের কয়েকজন কর্মী এবং একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কিছু কর্মীর যোগ থাকতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক (Ram mandir)।

জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ভক্তদের দেওয়া অনুদানের টাকা সংগ্রহ করে ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া হয়। সম্প্রতি সেই হিসাব মিলিয়ে দেখতে গিয়েই অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপর অনুদান সংগ্রহের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তে দেখা যায়, কয়েক সপ্তাহ ধরে অনুদানের বাক্সে জমা পড়া পাঁচশো টাকার নোটের বান্ডিলের হিসাবে বড় গরমিল রয়েছে। সাধারণত প্রতিটি অনুদান বাক্সে ছয় থেকে সাত লক্ষ টাকা জমা পড়লেও হিসাবের সঙ্গে বাস্তবের মিল পাওয়া যায়নি (Ram mandir)।

এই ঘটনার জেরে নৈতিক দায় স্বীকার করে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র পদত্যাগ করেছেন। অনুদান কেলেঙ্কারির অভিযোগে মামলা দায়ের হওয়ার পরই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেন। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রায় আশি লক্ষ টাকার কাছাকাছি অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এখন সেই অর্থের উৎস এবং পুরো চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতেই জোরদার তদন্ত চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts