Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • কোমরে দড়ি বেঁধে অভিযুক্তকে ঘোরানো যাবে না! বড় বার্তা হাই কোর্টের, চর্চায় জাহাঙ্গির মামলা
রাজ্য

কোমরে দড়ি বেঁধে অভিযুক্তকে ঘোরানো যাবে না! বড় বার্তা হাই কোর্টের, চর্চায় জাহাঙ্গির মামলা

calcutta high court
Email :4

রাজ্যে বিভিন্ন অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্যে নিয়ে যাওয়ার একাধিক ঘটনা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনও অভিযুক্তের সঙ্গে এমন আচরণ আইনসম্মত নয়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, তদন্ত চললেও কোনও ব্যক্তির মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।

ফলতার পুনর্নির্বাচনের পর থেকে জাহাঙ্গির খান পলাতক ছিলেন। পরে নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তদন্ত চলছে (Calcutta High Court)। এরপর জাহাঙ্গিরের স্ত্রী রেজিনা বিবি কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। তিনি জানতে চান, তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তারের পর জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্যে ঘোরানো হয়েছে।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি (Calcutta High Court) সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, কোনও অভিযুক্তকে কোমরে দড়ি বেঁধে প্রকাশ্যে নিয়ে যাওয়া আইনত সমর্থনযোগ্য নয়। আদালত আরও জানায়, তদন্তের নামে এমন কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না, যাতে অভিযুক্তের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী আদালতকে (Calcutta High Court) জানান, কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর বিষয়ে তাঁর কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নানা ধরনের প্রযুক্তির সাহায্যে বিভ্রান্তিকর ছবি বা দৃশ্যও তৈরি করা সম্ভব। পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পরই তিনি আদালতে বিস্তারিত বক্তব্য জানাবেন।

এই বক্তব্যের পর আদালত নির্দেশ দেয়, জাহাঙ্গির খানের মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই অনুষ্ঠিত হবে (Calcutta High Court)।

এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, কেউ অপরাধ করে থাকলে দেশের আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু প্রকাশ্যে অপমান করা, মারধর করা বা কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার সঙ্গে আইনি বিচারের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, এই ধরনের আচরণ বিচার প্রক্রিয়ার বদলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বার্তা দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts