Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • অভিষেককে বড় ধাক্কা! স্পিকারের কাছে চিঠি, এনডিএ-তে যোগ দিতে চাইলেন ২০ তৃণমূল সাংসদ
রাজ্য

অভিষেককে বড় ধাক্কা! স্পিকারের কাছে চিঠি, এনডিএ-তে যোগ দিতে চাইলেন ২০ তৃণমূল সাংসদ

mamata kakoli
Email :3

বিধানসভার পর এবার লোকসভাতেও বড় ভাঙনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC MPs)। দীর্ঘদিনের জল্পনা সত্যি করে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিলেন দলের একদল বিদ্রোহী সাংসদ। সূত্রের খবর, তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন ওই চিঠিতে সই করেছেন। তাঁদের নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছিল। প্রথমে বিধানসভায় একাংশ বিধায়ক আলাদা অবস্থান নেওয়ার পর এবার সেই প্রভাব পড়ল সংসদীয় (TMC MPs) দলেও। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনাকে তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা বলেই দেখা হচ্ছে।

রবিবার দিল্লিতে এক বৈঠকে একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তী, আবু তাহের খান, শর্মিলা সরকার, খলিলুর রহমান, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া-সহ একাধিক সাংসদ (TMC MPs) যোগ দেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়তে শুরু করে।

সোমবার সেই জল্পনাই বাস্তবে রূপ নেয়। লোকসভার স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া চিঠিতে বিদ্রোহী সাংসদরা জানিয়েছেন, তাঁরা আর তৃণমূলের সংসদীয় দলে থাকতে চান না (TMC MPs)। তাঁদের দাবি, সংসদে যেন তাঁদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং এনডিএ শিবিরের সঙ্গে বসার অনুমতি দেওয়া হয়।

স্পিকারের অনুমোদন মিললে লোকসভায় তৃণমূলের বর্তমান সাংসদ দল নতুন সমীকরণের মুখে পড়তে পারে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এতে দলের সাংগঠনিক ও সংসদীয় (TMC MPs) অবস্থানেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম শর্মিলা সরকার বলেন, এই সিদ্ধান্ত কোনও একদিনের ক্ষোভের ফল নয়। দীর্ঘদিন ধরে দলের ভিতরে নানা সমস্যা, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাননি এবং একাধিক অভিযোগ দলীয় নেতৃত্বের কাছে জানালেও তার সমাধান হয়নি।

শর্মিলার কথায়, তিনি আদর্শের টানে রাজনীতিতে এসেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে এসে ভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। জেলার রাজনৈতিক পরিবেশ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ার বিষয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন এবং আগামী দিনে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অবস্থান কী হয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts