রবিবার গভীর রাতে আচমকাই ভূমিকম্পের (Earthquake) ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠল বাংলার একাধিক জেলা। প্রথমে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও শিলিগুড়িতে কম্পন অনুভূত হলেও পরে কলকাতাসহ আরও বেশ কয়েকটি জেলার বাসিন্দারাও মৃদু ঝাঁকুনি টের পান। রাতের নীরবতা ভেঙে অনেকেই আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসেন।
জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাত ১১টা ৬ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্পটি (Earthquake) অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূটানের পুনাখা এলাকা। মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রথমে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও শিলিগুড়িতে কম্পন (Earthquake) অনুভূত হয়। পরে মালদহ, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং এবং কলকাতার বহু মানুষও ঝাঁকুনি টের পান। তবে এখনও পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
শুধু ভারত নয়, এই ভূমিকম্পের (Earthquake) প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও বাংলাদেশেও। সেখানকার বহু বাসিন্দাও কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, রবিবার সারাদিন ধরেই রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টি চলছিল। রাত এগারোটার পরও অনেকেই বাড়িতে ছিলেন। অনেকে সরাসরি কম্পন অনুভব না করলেও মোবাইলে সতর্কবার্তা পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। অতীতে একাধিক ভয়াবহ ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা থাকায় এই কম্পন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।













