Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • “অন্য কথা বললে অভিযুক্তকে আটক রাখা যাবে না”, দাবি নির্যাতিতার বাবার
রাজ্য

“অন্য কথা বললে অভিযুক্তকে আটক রাখা যাবে না”, দাবি নির্যাতিতার বাবার

rg kar casre
Email :3

আর জি কর হাসপাতালের (RG Kar Case) নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃত্যুকাণ্ডে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তাঁর বাবা। শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি দাবি করেন, সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে তাঁদের কী বলতে হবে, তা আগে থেকেই শিখিয়ে দেওয়া হত। আদালতের বাইরে দাঁড়িয়েও একই অভিযোগ করেন তিনি।

নির্যাতিতার বাবার (RG Kar Case) দাবি, গত জানুয়ারি মাসে প্রথমবার তাঁকে আদালতকক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তার আগে কখনও আদালতের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, সিবিআইয়ের আইনজীবীর আচরণ নিয়েও তাঁর গুরুতর আপত্তি রয়েছে। তাঁর কথায়, আদালত চত্বরে এমন কিছু ঘটনা তিনি দেখেছেন, যা তাঁকে হতাশ করেছে।

এদিন তিনি তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন (RG Kar Case) । তাঁর অভিযোগ, তদন্তের সময় তাঁদের বাড়িতে গিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বক্তব্য আদালতে বলতে বলা হয়েছিল। এমনও বলা হয়েছিল যে অন্য কিছু বললে মূল অভিযুক্তকে আটক রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এই ধরনের চাপ ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।

সিবিআইয়ের আর এক আইনজীবীর বিরুদ্ধেও সরব হন নির্যাতিতার বাবা। তাঁর দাবি, আদালতে কোন বিষয়ে কথা বলা যাবে এবং কোন বিষয়ে বলা যাবে না, তা নিয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁদের।

এদিকে শুক্রবার আদালতে মামলার অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই (RG Kar Case) । সূত্রের খবর, তদন্তে পুলিশ এবং হাসপাতালের একাধিক ব্যক্তির কল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার আরও কয়েকজন ব্যক্তিকে তদন্তের আওতায় আনার দাবি ওঠে আদালতে।

তবে সিবিআই আদালতে জানায়, যাঁদের নাম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। এই বক্তব্য ঘিরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার বাবা।

নির্যাতিতার মা-ও এদিন ঘটনার দিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রথমে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা বলা হয়েছিল। পরে জানানো হয়, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। হাসপাতালে পৌঁছেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল। পরিবারের দাবি, প্রথম থেকেই ঘটনার তদন্তে একাধিক অসঙ্গতি ছিল।

উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই মামলার তদন্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে পুরনো নথি ও তদন্তের বিভিন্ন দিক আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে আর জি কর মামলার তদন্তে আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts