মালদহের মোথাবাড়ি অশান্তি (Mothabari Case) মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল আদালত। অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম সহ মোট বাহান্ন জনের জামিন খারিজ করেছে এনআইএ আদালত। আগামী তেরো মে পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই মামলার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালতে তারা জানায়, সুজাপুরে জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে ছিলেন মোফাক্কেরুল (Mothabari Case)। মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখা এবং বিক্ষোভের ঘটনাতেও তাঁর ভূমিকা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, তিনি পালানোর চেষ্টা করছিলেন। পেশায় আইনজীবী এই নেতা একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার দিন তাঁকে (Mothabari Case) একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে জনতার সামনে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল। সেই বক্তব্যকে অনেকেই উস্কানিমূলক বলে দাবি করেছেন। এর পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কয়েকজন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করা হয় বলে অভিযোগ।
এছাড়াও এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে যে বিক্ষোভ হয়েছিল, তাতেও তাঁর ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তাঁকে আগেই পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল (Mothabari Case)।
তবে মোফাক্কেরুল ইসলাম নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা কোনও ভুল নয়। তিনি জানিয়েছেন, বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় না ওঠা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।
এই ঘটনার পর মালদহ জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।












