সোমবার ইরান ও আমেরিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইরান জানিয়ে দেয়, তারা এই বৈঠকে অংশ নেবে না (Iran War)। এই সিদ্ধান্তের পরই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই কথোপকথনে আসিম মুনির ইরান-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব এবং হরমুজ অবরোধের বিষয়টি তুলে ধরেন (Iran War)। তিনি শান্তি আলোচনার পথে এগোনোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন। এর উত্তরে ট্রাম্প জানান, আলোচনায় পাওয়া পরামর্শ তিনি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক হবে—এই খবর সঠিক নয় (Iran War)। তাদের দাবি, আমেরিকা আলোচনার নামে অতিরিক্ত এবং অযৌক্তিক শর্ত চাপাচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আমেরিকা বারবার নিজেদের অবস্থান বদল করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এর ফলে দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি থামানোর বদলে আরও উত্তেজনা বাড়ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিরোধ তীব্র হয়েছে। ইরান মনে করছে, আমেরিকার নৌ অবরোধ সংঘর্ষবিরতির শর্ত ভঙ্গ করছে, তাই তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয়।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ও মুনিরের ফোনালাপ নতুন করে কূটনৈতিক জল্পনা তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে পারে। তবে এই প্রচেষ্টা আদৌ ফলপ্রসূ হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। যুদ্ধ থামবে, না কি আরও বাড়বে—এই প্রশ্নেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।











