ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই যুদ্ধজাহাজে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তোলা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি (Donald Trump)।
এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, আলোচনা সফল না হলে আমেরিকা শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না। তাঁর কথায়, সবথেকে আধুনিক ও শক্তিশালী অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। এর আগেই আরাঘচি জানিয়েছিলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার ইরানের রয়েছে।
ট্রাম্প (Donald Trump) ইরানের বক্তব্য নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, ইরান একদিকে আলোচনায় ভিন্ন কথা বলছে, আবার প্রকাশ্যে অন্য বার্তা দিচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
একইসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প আরও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের হাতে খুব বেশি শক্তি নেই এবং আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করছে তারা। তাই দ্রুত আলোচনায় বসার জন্য চাপ বাড়ানো হচ্ছে।
এই আলোচনার মূল বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা। আমেরিকার মতে, এই জলপথ খুলে দেওয়া না হলে কোনও শান্তি চুক্তি সম্ভব নয় (Donald Trump)।
তবে এখনও পর্যন্ত ওই এলাকায় জাহাজ চলাচল খুবই সীমিত। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর থেকে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, শান্তি হবে নাকি নতুন করে সংঘাত শুরু হবে, সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।













