অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Banerjee Death) সমুদ্রে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার কলকাতার রিজেন্ট পার্ক থানার পাশাপাশি ওড়িশার তালসারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ জনের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন (Rahul Banerjee Death)।
জানা গিয়েছে, প্রিয়াঙ্কা প্রযোজনা সংস্থার কর্ণধার শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় ও লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচালক শুভাশিস মণ্ডল, ফ্লোর এক্সিকিউটিভ প্রযোজক শান্তনু নন্দী এবং সংস্থার ম্যানেজার চন্দ্রশেখর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি নতুন মোড় নেয় (Rahul Banerjee Death)।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তিনি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন যাতে সেখানকার অপরাধ তদন্ত বিভাগ দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করা হয় (Rahul Banerjee Death)। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন রাজ্য মহিলা কমিশনের দায়িত্বে থাকায় রাজ্যের পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রভাবশালীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ঘটনায় সঠিক তদন্তের জন্য অন্য রাজ্যের সংস্থার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এই মন্তব্যের পাল্টা তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর নিজের নিরাপত্তারক্ষীর রহস্যমৃত্যুর তদন্ত আগে সম্পূর্ণ হওয়া উচিত। এরপর তিনি অন্য কোনও ঘটনার তদন্তের দাবি তুলতে পারেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের পুলিশ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
কুণাল আরও বলেন, রাহুলের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। যদি কারও গাফিলতি থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করা ঠিক নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সব মিলিয়ে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু নিয়ে রহস্য যেমন কাটেনি, তেমনই এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও ক্রমশ বাড়ছে।













