বুধবার কালিয়াচকের ঘটনার পর একটি ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি বক্তৃতা দিচ্ছেন (Mofakkerul Islam)। তাঁর কথা শুনে অনেকেই হাততালি দিচ্ছেন এবং মোবাইলে সেই দৃশ্য রেকর্ড করছেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে (Mofakkerul Islam) গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। পুলিশের দাবি, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, কালিয়াচকে (Mofakkerul Islam) বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় তাঁর উস্কানি ছিল। এই ঘটনায় তাঁর নামে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি ইটাহারের বাসিন্দা। কেন তিনি মালদহে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০২১ সালে তিনি (Mofakkerul Islam) একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর রাজনৈতিকভাবে খুব বেশি সক্রিয় না থাকলেও এবার নির্বাচনের আগে তাঁর দল মালদহে সক্রিয় হয়েছে। সম্প্রতি ওই দলের প্রধানও রাজ্যে এসেছিলেন। কালিয়াচকের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী সভা থেকে এই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।
রাজনীতির বাইরে মোফাক্কেরুল ইসলাম পেশায় একজন আইনজীবী (Mofakkerul Islam)। আগে তিনি জেলা আদালতে কাজ করতেন এবং এখন কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেন। সেখানে তাঁর পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই জানা গেছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্য শুনতে আগ্রহী হন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর প্রচুর অনুসারী রয়েছে।
গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের গ্রেফতারির কথা জানান। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করছিলেন, যাতে মনে হয় তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও তামিলনাড়ু, আবার কখনও পাঞ্জাবের আদালতের ছবি শেয়ার করেছিলেন। একটি ভিডিয়োতে তিনি কেরল যাওয়ার কথাও বলেছিলেন।
তবে সব চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।











