Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • আমেরিকার বিরুদ্ধে ভণ্ডামির অভিযোগ তেহরানের! রুশ তেল নিয়ে নতুন বিতর্কে তোলপাড় বিশ্ব
বিদেশ

আমেরিকার বিরুদ্ধে ভণ্ডামির অভিযোগ তেহরানের! রুশ তেল নিয়ে নতুন বিতর্কে তোলপাড় বিশ্ব

inran foreign minister trump
Email :5

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ইরানের বক্তব্য (Russian Oil)। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন, আমেরিকা একসময় ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় সেই আমেরিকাই বিশ্বকে রাশিয়ার তেল (Russian Oil) কিনতে অনুরোধ করছে।

সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা ভারতকে রাশিয়ার তেল (Russian Oil) আমদানি বন্ধ করার জন্য চাপ দিয়েছিল। কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই হোয়াইট হাউস নাকি এখন বিশ্বকে, এমনকি ভারতকেও, রাশিয়ার তেল কিনতে অনুরোধ করছে।

এই মন্তব্যে তিনি আমেরিকার নীতিকে ভণ্ডামি বলেও কটাক্ষ করেন (Russian Oil)। তাঁর মতে, পরিস্থিতি বদলালেই আমেরিকার অবস্থানও বদলে যায়।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী ইউরোপকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ইউরোপ ভেবেছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সমর্থন করলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার সমর্থন পাবে (Russian Oil)। কিন্তু সেই আশা নাকি ভুল ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এই মন্তব্যের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনও তুলে ধরেন তিনি, যেখানে বলা হয়েছে তেলের দাম বাড়ায় রাশিয়ার আয়ও বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা কমানোর জন্য সাময়িকভাবে কিছু দেশকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই অনুমতি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গিয়ে ব্যারেল প্রতি একশ ডলারের বেশি হয়ে যায়।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন প্রশাসন সীমিত সময়ের জন্য একটি ছাড় ঘোষণা করে। এর ফলে আগে থেকেই জাহাজে তোলা রাশিয়ার তেল ও তেলজাত পণ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রি ও সরবরাহ করা যাবে।

এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজগুলিকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যাবে। তবে মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপ সাময়িক এবং এতে রাশিয়া বড় আর্থিক সুবিধা পাবে না।

এরই মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এসেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি চললেও ইরান ভারতের জাহাজ চলাচলে বাধা দেবে না বলে জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, ভারতের পতাকাবাহী দুটি তরল গ্যাসবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই বিষয়ে ইরানের ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি বলেন, ভারত ও ইরান বন্ধু দেশ এবং তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বহু সাধারণ স্বার্থ রয়েছে এবং সেই কারণেই ভারতের জাহাজগুলিকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে। তাঁর মতে, ইরান সবসময়ই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে তেল, যুদ্ধ এবং কূটনীতিকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, ততই বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts