আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলতে থাকা উত্তেজনার মাঝেই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে (Middle East Crisis)। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকের পর তিনি নিজেকে দুই দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে তাঁর এই ভূমিকা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠছে। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন আসিম মুনিরও। কিন্তু সেই বৈঠক থেকে কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বেরোয়নি, শেষ পর্যন্ত আলোচনা ব্যর্থই হয় (Middle East Crisis)।
একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আসিম মুনিরের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে (Middle East Crisis)। তিনি যখন পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ছিলেন, তখন থেকেই ইরানের সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রভাবশালী সামরিক নেতাদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল নিয়মিত। এই কারণেই এখন প্রশ্ন উঠছে, তিনি আদৌ নিরপেক্ষভাবে মধ্যস্থতা করতে পারবেন কি না।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের উপর সম্পূর্ণ ভরসা করা ঠিক হবে না। তাঁদের মতে, ইরানের সঙ্গে মুনিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক একটি উদ্বেগের বিষয়। ইসলামাবাদের বৈঠকে পাকিস্তান নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরতে চাইলেও, সেই উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, তিন দিনের ইরান সফর শেষ করেছেন আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দাবি, এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তবে এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।











