মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার মাঝে আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুললেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সেয়েদ আব্বাস আরাঘচি (Middle East Crisis)। তিনি দাবি করেছেন, আমেরিকা ইজরায়েলের হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধে নেমেছে। তাঁর বক্তব্য, তথাকথিত ইরানি হুমকির কোনও ভিত্তিই ছিল না। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, আমেরিকা নিজের সিদ্ধান্তে যুদ্ধে জড়িয়েছে এবং এর ফলে যে রক্তপাত হচ্ছে, তার দায় ইজরায়েলপন্থীদের ।
আরাঘচি আরও দাবি করেন, আমেরিকার সাধারণ মানুষ এর চেয়ে ভাল নেতৃত্ব প্রাপ্য। তাঁর এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে (Middle East Crisis)।
এর আগে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও সামরিক পদক্ষেপের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন তথ্য আগেই ছিল আমেরিকার কাছে। সেই হামলার পর ইরান মার্কিন বাহিনীর উপর আঘাত হানতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছিল। তাই বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আগেভাগেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Middle East Crisis)।
রুবিও বলেন, মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতা ধ্বংস করা এবং সেগুলি নিক্ষেপ করার সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া। পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনীর মাধ্যমে বিশ্ব জাহাজ চলাচলের উপর যে হুমকি তৈরি হচ্ছিল, সেটিও রুখতে চেয়েছে আমেরিকা। তাঁর দাবি, ইরানকে দুর্বল অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এবং তখনই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Middle East Crisis)।
তিনি স্বীকার করেন, ইরানের তরফে পাল্টা হামলার সম্ভাবনা ছিল। তবে মার্কিন বাহিনী আঘাতের অপেক্ষায় বসে থাকতে রাজি ছিল না। আগাম আঘাত করেই বড় ক্ষতি এড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারেও।













