ইরান দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে (Oil Price)। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। এখন ব্যারেল প্রতি তেলের দাম প্রায় একশো ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে (Oil Price)।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট তেলের দাম বেশ কিছুটা বেড়ে প্রায় পঁচানব্বই ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, আরেক ধরনের তেলের দামও বেড়ে প্রায় ঊননব্বই ডলারের কাছাকাছি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এইভাবে দাম বাড়তে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি তা একশো ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে (Oil Price)।
গত মাসে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম একশো দশ ডলার ছুঁয়েছিল। পরে কিছুটা কমলেও এখন আবার পরিস্থিতি বদলেছে। হরমুজ প্রণালী আংশিক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় তেলের দাম ফের বাড়তে শুরু করেছে (Oil Price)।
এই পরিস্থিতিতে ভারতের মতো দেশের উদ্বেগ বাড়ছে। দেশের জ্বালানির বড় অংশই বাইরে থেকে আনতে হয়। ফলে তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে পড়বে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ বাড়বে, বিমান ভাড়া এবং পণ্য পরিবহণের খরচও বেড়ে যাবে।
শুধু পরিবহণ নয়, বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়বে। উৎপাদনের খরচ বাড়লে তার চাপ পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চললে দেশে মুদ্রাস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে।












