Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • বৈধ ভোটারদের নাম কেন বাদ? ১০ তারিখের পর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
জেলা

বৈধ ভোটারদের নাম কেন বাদ? ১০ তারিখের পর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

Udayan Guha
Email :5

এসআইআর ইস্যুতে আগেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন তিনি। এবার একই ইস্যুতে মুখ খুললেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। বিশেষ করে ছিটমহলবাসীদের নাম কেন বাদ যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

উদয়ন (Udayan Guha) বলেন, ২০১৫ সালে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির মাধ্যমে ছিটমহলবাসীরা নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তখন তাঁদের অপশন দেওয়া হয়েছিল। এই পুরো প্রক্রিয়া ভারত সরকারের অনুমতিতেই হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা ২০১৫ সালে নাগরিকত্ব পেলেন, তাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকার কথা নয়। অথচ দেখা যাচ্ছে, ছিটমহলে প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষের নাম বিচারাধীন তালিকায় রাখা হয়েছে। আবার একই এলাকায় ১০০ থেকে ২০০ জনের নাম সরাসরি ভোটার তালিকায় রয়েছে। কেন এমন হবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি (Udayan Guha)।

মন্ত্রী জানান, জেলায় প্রায় ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোটারের নাম বিচারাধীন। মাত্র ১৬ জন বিচারক এই কাজ করছেন। প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার নাম নিষ্পত্তি হলে এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক আবেদন খতিয়ে দেখা সম্ভব কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষা করতেই হবে।

সমস্যার সমাধান না হলে ১০ তারিখের পর রাস্তায় নেমে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। এ দিন সন্ধ্যায় জেলাশাসকের দফতরে যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া এবং জেলার তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। জেলায় এত মানুষের নাম কীভাবে বাদ গেল, তা নিয়েই প্রশাসনের কাছে একাধিক প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে এই ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে। এখন দেখার, কমিশনের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং বিচারাধীন নামগুলির ভবিষ্যৎ কী হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts