Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • খামেনেইর পর মেয়ে ও নাতিও নিহত? মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় কাঁপছে ইরান
বিদেশ

খামেনেইর পর মেয়ে ও নাতিও নিহত? মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় কাঁপছে ইরান

iran attacks
Email :6

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর মেয়ে ও নাতি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, ইরানের (Iran) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র উদ্ধৃত করে। এর আগে সরকারি মাধ্যমেই নিশ্চিত করা হয়, ৮৬ বছর বয়সি এই ধর্মগুরুর জামাই ও পুত্রবধূও বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই নিজেও নিহত হয়েছেন (Iran)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা করেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে লেখেন, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় খামেনেই নিহত হয়েছেন এবং এটিই ইরানের মানুষের জন্য নিজেদের দেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার “সবচেয়ে বড় সুযোগ”।

ট্রাম্প লেখেন, “ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ মানুষদের একজন খামেনেই আর নেই।” তিনি এই ঘটনাকে ইরানের জনগণ ও খামেনেইর নেতৃত্বে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ন্যায়বিচার বলেও দাবি করেন।

ট্রাম্পের আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে বলেন, খামেনেই আর বেঁচে নেই—এমন অনেক ইঙ্গিত রয়েছে (Iran)। তবে তিনি সরাসরি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। তাঁর দাবি, খামেনেইর বাসভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে এক প্রবীণ ইসরায়েলি আধিকারিক নাম প্রকাশ না করে রয়টার্সকে জানান, হামলার পর খামেনেইর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে তেহরান দ্রুত এই দাবির বিরোধিতা করে (Iran)। সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের জনসংযোগ প্রধান রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে বলেন, ইসরায়েল ও তার মিত্ররা মানসিক যুদ্ধ চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “শত্রু মানসিক যুদ্ধের আশ্রয় নিচ্ছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” খামেনেইর মৃত্যুর দাবি তিনি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন।

এর আগে ইরানের (Iran) বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আগাছি এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁর জানা মতে খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দু’জনেই জীবিত। পরে খামেনেইর এক্স অ্যাকাউন্ট থেকেও একটি বার্তা পোস্ট করা হয়, যাতে লেখা ছিল, “হায়দারের নামে, তাঁর প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।” এই বার্তাকে ঘিরেও নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি আধিকারিকদের দাবি, এই হামলায় কৌশলগত সামরিক পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তেহরান ও তার আশপাশের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানায় ইরানি সংবাদমাধ্যম। রাজধানীজুড়ে জরুরি পরিষেবা মোতায়েন করা হয়েছে। তবে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এই পরিস্থিতিতে ইরানজুড়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। খামেনেই ও তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের মৃত্যুর দাবি, আবার তারই মধ্যে সরকারি অস্বীকার—সব মিলিয়ে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে। বিশ্বরাজনীতির মানচিত্রে এই ঘটনাপ্রবাহ যে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts