এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের হার আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। দুই হাজার একুশ সালের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ লক্ষ বেশি ভোটার এবার ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। এই বাড়তি ভোট নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এই অতিরিক্ত ভোট শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে গেল (Bengal Election)।
গত নির্বাচনে প্রায় পাঁচ কোটি আটানব্বই লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় কোটি একত্রিশ লক্ষে। ভোটার তালিকা সংশোধনের পর অনেক নাম বাদ পড়ার কথা থাকলেও ভোটদানের হার উল্টে বেড়েছে। ফলে প্রায় তিরানব্বই শতাংশ ভোটদানের পিছনে নতুন ভোটারদের বড় ভূমিকা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে (Bengal Election)।
এই অতিরিক্ত ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ গত নির্বাচনে শাসক দল প্রায় ষাট লক্ষ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। তাই এবারের এই বাড়তি ভোট পুরো ফলাফল বদলে দিতে পারে বলে জল্পনা চলছে।
বিরোধী শিবিরের দাবি, এই নতুন ভোটাররা মূলত তাদের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে মানুষ ভয় ছাড়াই ভোট দিতে পেরেছেন। তাই ভোটের হার বেড়েছে এবং এই প্রবণতা পরিবর্তনের পক্ষে ইঙ্গিত দেয়। শহরাঞ্চলে বুথের সংখ্যা বাড়ানো এবং সহজে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়াকেও তারা বড় কারণ হিসেবে দেখছে (Bengal Election)।
অন্যদিকে শাসক দলের দাবি, এই অতিরিক্ত ভোট তাদের সমর্থকদেরই। তাদের মতে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক মানুষ এবার ভোট দিতে বেরিয়েছেন। ফলে তাদের সমর্থকরাই বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে এই বাড়তি ভোট ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাস্তবে এই ভোট কোন দিকে গেল, তা জানা যাবে ভোট গণনার দিন। আগামী চার মে ফল প্রকাশের পরই পরিষ্কার হবে আসল চিত্র।











