দক্ষিণ কলকাতার কসবার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে এক নাবালিকা-সহ তিন মহিলাকে উদ্ধার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ (Honey Trap)। এই ঘটনায় হোটেলের ব্যবস্থাপক, অভ্যর্থনাকর্মী এবং দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নাবালিকা ও দুই মহিলাকে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে গোয়েন্দাদের কাছে খবর আসে যে, কসবার ওই হোটেলে বেআইনি দেহব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা করে অভিযান চালানো হয় (Honey Trap)। হোটেলে ঢুকে এক নাবালিকা এবং দুই মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণী ও নাবালিকাদের শহরে আনা হত। পরে তাঁদের জোর করে দেহব্যবসায় নামানোর অভিযোগ উঠেছে (Honey Trap)। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে খদ্দের জোগাড় করা হত বলেও অভিযোগ পুলিশের।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, কোথা থেকে মেয়েদের আনা হত এবং কতদিন ধরে এই কাজ চলছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ মনে করছে, এর পিছনে আরও বড় একটি পাচারচক্র সক্রিয় থাকতে পারে (Honey Trap)।
পুলিশের দাবি, কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় হোটেল, স্পা কিংবা অন্য ব্যবসার আড়ালে বেআইনি দেহব্যবসা ও নারী পাচারের অভিযোগ মাঝেমধ্যেই সামনে আসে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। কসবার এই ঘটনাতেও পুরো চক্রকে ধরতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে।













