Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • জাল রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে সরকারি হাসপাতালে চাকরি! দুই ‘চিকিৎসক’কে ছাঁটাই করল রাজ্য
রাজ্য

জাল রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে সরকারি হাসপাতালে চাকরি! দুই ‘চিকিৎসক’কে ছাঁটাই করল রাজ্য

swathya bhawan edit
Email :1

বিহারের ভুয়ো নথি দেখিয়ে চিকিৎসক (Fake Doctors) হিসেবে সরকারি চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের তদন্তের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কর্মরত দুই চুক্তিভিত্তিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। উত্তম মাইতি এবং শেখ ইউনুস হাসানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নোটিস দেওয়া হয়েছে (Fake Doctors) ।

দু’জনই রাজপুর-সোনারপুর এলাকার একটি পুরস্বাস্থ্যকেন্দ্রে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে চুক্তিভিত্তিক চিকিৎসক হিসেবে (Fake Doctors) কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিহারের মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈধ নয় এমন নথি দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলির একটি সংগঠনের তরফে পাঁচ জন চিকিৎসকের নথি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় (Fake Doctors) । অভিযোগের ভিত্তিতে নথিগুলি যাচাই করতে শুরু করে রাজ্য। তখনই বিহারের মেডিক্যাল কাউন্সিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

রাজ্যের তরফে বিহারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচ জনের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে চাওয়া হয়েছিল। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বিহার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারের তরফে জানানো হয়, ওই পাঁচ জনের কারও রেজিস্ট্রেশন শংসাপত্র বৈধ নয় বলে যাচাইয়ে উঠে এসেছে (Fake Doctors) ।

এর পরেই পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল পাঁচ জনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে। ওই পাঁচ জনের মধ্যে উত্তম মাইতি এবং শেখ ইউনুস হাসান সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে তাঁদের চাকরির বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হয়।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর দু’জনকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে নোটিস পাঠিয়েছিল রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। তাঁদের নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা হাজির হননি বলে জানা গিয়েছে। কোনও জবাবও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। এরপরই বৃহস্পতিবার তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নোটিস পাঠানো হয়েছে (Fake Doctors) ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলির সংগঠন। সংগঠনের সম্পাদক রাজীব পাণ্ডে জানিয়েছেন, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় ভুয়ো নথি ব্যবহারের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তাঁর বক্তব্য, শুধু চাকরি থেকে সরানো নয়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় তাঁদের নিয়োগের সময় যাঁরা নথি যাচাই বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তিনি। কী ভাবে ওই নথি যাচাইয়ের পরেও তাঁরা সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় কাজের সুযোগ পেলেন, সেই প্রশ্নও উঠছে।

তবে পুরো ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে অপরাধ আদালতে চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে (Fake Doctors) , এমন দাবি এখনও করা হয়নি। নথি যাচাই, রেজিস্ট্রেশন বাতিল এবং সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্তের পদক্ষেপের মধ্যেই আপাতত তদন্ত এগোচ্ছে। ভুয়ো নথি ব্যবহারের অভিযোগের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়াই এখন নজরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts