Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • প্রথম দফার ভোটের পরেই বড় দাবি! ১১০ আসনে জয়ের ইঙ্গিত অমিত শাহর
রাজ্য

প্রথম দফার ভোটের পরেই বড় দাবি! ১১০ আসনে জয়ের ইঙ্গিত অমিত শাহর

amit shah 4
Email :2

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর বিজেপি নেতৃত্ব তার কৃতিত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (Amit Shah)। ভোটের দিন শেষে ১৫২টি আসনের পরিস্থিতি নিয়ে দলের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পর শুক্রবার সকালে কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে তিনি জানান, প্রথম দফায় বিজেপি ১১০টির বেশি আসনে জয় পাবে বলে তাদের অনুমান (Amit Shah)।

উল্লেখ্য, ভোটের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকেও বড় দাবি করা হয়েছিল। দলের নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, তারা ১৩০টির বেশি আসনে জিতবে। এবার বিজেপিও নিজেদের সমীক্ষার ভিত্তিতে জয়ের দাবি করল (Amit Shah)।

সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ প্রথমেই ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এত বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন, যা গণতন্ত্রের জন্য ভালো দিক। পাশাপাশি পুলিশ, প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভোটদানের হার ৯০ শতাংশের বেশি হওয়াই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে (Amit Shah)।

তিনি (Amit Shah)বলেন, এই ভোটের হার থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার বিদায় নেবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এবং সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের অসন্তোষ থেকেই এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মহিলারা নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন এবং তাঁরা পরিবর্তন চান বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিন তিনি আরও জানান, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলারই কোনও মানুষ মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বাইরের কাউকে এনে সেই পদে বসানো হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

আগামী ২৯ তারিখ রাজ্যের বাকি আসনগুলিতে ভোট হবে। অমিত শাহর মতে, প্রথম দফার শান্তিপূর্ণ ভোট দেখে মানুষ আরও উৎসাহিত হবেন এবং দ্বিতীয় দফাতেও বড় সংখ্যায় ভোট দেবেন।

তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। জানান, প্রচারের সময় এক বৃদ্ধা তাঁর কাছে এসে আশীর্বাদ করেছিলেন। সেই ঘটনা তাঁর মনে দাগ কেটেছে এবং তিনি মনে করেন, এর মধ্যেই মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন রয়েছে।

বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, মহিলাদের নিরাপত্তা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং রাজ্যকে অনুপ্রবেশমুক্ত করা তাদের প্রধান লক্ষ্য হবে।

সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের পরেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠেছে এবং ফল নিয়ে দুই পক্ষের দাবি পাল্টা দাবিতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts