বঙ্গ নির্বাচনের উত্তাপের মধ্যেও সংসদের ঘটনাপ্রবাহে নজর ছিল গোটা দেশের। গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ায় কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা (Rahul Gandhi)। এই আবহেই বিজেপি বিরোধী জোট একসঙ্গে থাকার বার্তা দিতে চেয়েছে, যা বাংলা, তামিলনাড়ু এবং আগামী বছরের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনালাপ ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ফোনে অভিষেক জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের মেয়াদ শেষের পথে এবং তাদের শক্তির যে ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার নির্বাচনী মঞ্চ থেকে যে ভাবে দিল্লি দখলের বার্তা দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক, এই ফোনালাপ তারই প্রতিফলন। তবে অনেকে মনে করছেন, অত্যন্ত সূক্ষ্ম ভাবে রাহুল গান্ধীকেও(Rahul Gandhi) একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন অভিষেক। কারণ, সম্প্রতি বাংলায় এসে তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাহুল।
তৃণমূলের দাবি, কিছু এলাকায় বিরোধী দলের সভা বিজেপিকে সুবিধা করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে বিজেপি বিরোধী জোটে তৃণমূলের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছে দল।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যেও সংসদের বিষয়গুলি নিয়ে সক্রিয় রয়েছেন অভিষেক। দলের বেশিরভাগ সাংসদদের দিল্লিতে পাঠিয়ে তিনি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
এই আবহে তৃণমূলের প্রচারে জোর দিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে অভিষেকের সেই বক্তব্য, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের। সব মিলিয়ে ভোটের আগে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস মিলছে।












