বেলডাঙ্গা হিংসা (Beldanga Violence) মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নির্ধারিত নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি বলেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।
মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে এই পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে (Beldanga Violence)। তবে মুক্তি পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করেছে আদালত। জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের প্রত্যেককে আদালতে হাজিরা দিতেই হবে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় মুর্শিদাবাদে (Beldanga Violence)। দেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করে। রেল ও সড়ক যোগাযোগ কার্যত থমকে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ রেললাইন অবরুদ্ধ ছিল।
পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয় (Beldanga Violence)। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল আগেই। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা পূর্ণ গতিতে তদন্ত শুরু করে।
এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।







