ভাঙড় (Bhangar) বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের শওকত মোল্লা ও আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকীর মধ্যে কড়া লড়াই চলছে। পঞ্চম রাউন্ডের শেষে নওশাদ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন। ষষ্ঠ রাউন্ডে সেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে তিনি প্রায় এক হাজার নয়শোর বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন (Bhangar)।
এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি তখন প্রায় ছাব্বিশ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছিলেন। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ট্রেন্ডে এই এলাকায় তৃণমূল এগিয়ে ছিল এবং যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রও তারা ধরে রাখে (Bhangar)।
২০২১ সালের পর ভাঙড়ে আর কোনও উপনির্বাচন হয়নি। এবারও এই কেন্দ্রের লড়াই ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল (Bhangar)।
এবারের বিধানসভা নির্বাচন সাধারণ নির্বাচন নয় বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দুই দফায়, দুটি আলাদা দিনে এই ভোট হয়েছে। একদিকে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা পরিচয়ের কথা, অন্যদিকে ছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজনৈতিক ভাবনা। এই দুই ধারার লড়াইয়ের ফল আজ প্রকাশ পাচ্ছে (Bhangar)।
প্রথম দফায় তেইশ এপ্রিল ১৫২টি আসনে ভোট হয়। দ্বিতীয় দফায় উনত্রিশ এপ্রিল বাকি ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। রাজ্যজুড়ে মোট আশি হাজারের বেশি বুথে ভোট নেওয়া হয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ছয় কোটিরও বেশি। দুই দফা মিলিয়ে প্রায় তিরানব্বই শতাংশ ভোট পড়েছে, যা খুবই বেশি।
ভোটের আগে থেকেই ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক ছিল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় অনেক নাম বাদ পড়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, বেআইনি নামগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে।
ভোটগণনার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙড়ের এই লড়াই আরও জমে উঠছে। শেষ পর্যন্ত ফল কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার।










