বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম অভিযুক্তের (Baruipur)। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর অভিযুক্তের মায়ের প্রতিক্রিয়া ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে (Baruipur)। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ছেলের মৃত্যুর জন্য তাঁর কোনও আক্ষেপ নেই। এমনকি ছেলের মৃতদেহ আনতেও তিনি হাসপাতালে যাবেন না বলেও জানিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিযুক্তের মা বলেন, ছেলের মৃত্যুর খবর তিনি পুলিশের কাছ থেকেই পেয়েছেন। এরপর তিনি জানান, ছেলে যে অপরাধ করেছে, তার ফল সে পেয়েছে। তাঁর কথায়, ছেলের মৃতদেহ আনারও কেউ নেই। পুলিশ আইন অনুযায়ী যা করার করবে। তিনি আরও বলেন, যদি ছেলে স্বাভাবিকভাবে মারা যেত, তাহলে হয়তো শেষবার দেখতে যেতেন। কিন্তু এই ঘটনায় তাঁর যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই (Baruipur)।
তিনি আরও বলেন, যে নাবালিকা এত কষ্ট পেয়ে প্রাণ হারিয়েছে, তাঁর ছেলেরও সেই পরিণতি হয়েছে। তাই এই ঘটনায় তাঁর কোনও দুঃখ নেই। অভিযুক্তের মায়ের এই মন্তব্য সামনে আসতেই তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের প্রস্তুতির সময় অভিযুক্ত আচমকাই এক পুলিশকর্মীর বন্দুক ছিনিয়ে নেয়। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বলে দাবি তদন্তকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অভিযুক্তকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।













