সোনম ওয়াংচুকের অনশনকে ঘিরে এবার বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়াল। তাঁর আন্দোলনের সমর্থনে শুক্রবার বিধানসভা চত্বরে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসল কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat TMC)। ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে আন্দোলনে অংশ নেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, খালিফা আহমেদ-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা। কয়েকদিন আগেই সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনার পর এই ধর্না রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
ধর্না মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তৃণমূল নেতারা। (Kalighat TMC) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধানসভায় বিষয়টি উত্থাপনের চেষ্টা করেন। পরে তিনি বলেন, সোনম ওয়াংচুক কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পরিবেশ ও শিক্ষা নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের আন্দোলন রয়েছে। এমন একজন মানুষের দাবি নিয়ে কেন্দ্রের দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত। তাঁর কথায়, সোনম ওয়াংচুকের কোনও অঘটন ঘটলে তা দেশের জন্য বড় ক্ষতি হবে। তাই কেন্দ্রের আর দেরি না করে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষও (Kalighat TMC) কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ অনশনের ফলে সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই তাঁর আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। দলীয় প্রতিনিধিরাও গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কুণালের দাবি, শুধু চিকিৎসক পাঠালেই হবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত দ্রুত প্রতিনিধি পাঠিয়ে সোনম ওয়াংচুকের দাবিগুলি নিয়ে আলোচনা শুরু করা।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল একদিকে মানবিক বার্তা দিতে চাইছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। এই ইস্যু আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতেও আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












