দমদম বিমানবন্দরের (Dumdum Airport) বাঁকড়া মসজিদে নমাজ পড়ার কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন সংখ্যালঘু নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সেই ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় বিপুল পুলিশ বাহিনী, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র্যাফ। বিমানবন্দরের সাত নম্বর গেট ও আশপাশে জারি করা হয় একশো তেষট্টি ধারা। তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার বিমানবন্দর চত্বরে পৌঁছেও কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ান সিদ্দিকুল্লা (Dumdum Airport)। তিনি জানান, এদিন আর কোনও কর্মসূচি হবে না। যদিও সিদ্ধান্ত বদলের কারণ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। বিমানবন্দরে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পরই তিনি ফিরে যান।
বাঁকড়া মসজিদকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে (Dumdum Airport)। বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের পরিকল্পনার জন্য মসজিদটি অন্যত্র সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই মসজিদে প্রবেশের এন্ট্রি পাস বন্ধ করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে নিয়মিত নমাজও। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই শুক্রবার সেখানে নমাজ পড়ার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল।
পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবেই উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য সকাল থেকেই গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলে প্রশাসন। জলকামান, র্যাফ এবং অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিমানবন্দরে যাত্রীদের যাতায়াতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হয় (Dumdum Airport)।
বাঁকড়া মসজিদ প্রায় একশো ছত্রিশ বছরের পুরনো। বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের (Dumdum Airport) খুব কাছেই এর অবস্থান। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং বড় বিমানের নিরাপদ ওঠানামার ক্ষেত্রে এই মসজিদের অবস্থান একটি বড় বাধা। সেই কারণেই স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে বহু বছর ধরে আলোচনা চললেও এতদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এবার প্রশাসনের পদক্ষেপের পর নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
শুক্রবারের কর্মসূচি বাতিল হলেও বাঁকড়া মসজিদ ঘিরে বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা স্পষ্ট। আগামী দিনে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।









