Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • চাপে অভিষেক! একসঙ্গে সব মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে বড় পদক্ষেপ
রাজ্য

চাপে অভিষেক! একসঙ্গে সব মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে বড় পদক্ষেপ

abhishek banerjee 6 edit
Email :5

একের পর এক মামলায় আইনি চাপ বাড়ার মাঝেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে।

সেবাশ্রয় কর্মসূচি, ডিজে মন্তব্য, সই জালিয়াতির অভিযোগ-সহ একাধিক মামলায় ইতিমধ্যেই তদন্ত চলছে। বিভিন্ন মামলায় রাজ্য পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হতে হয়েছে তাঁকে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী সুরক্ষা থাকলেও এবার বাকি মামলাগুলিতেও একই ধরনের রক্ষাকবচ চেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

এই মামলার শুনানি হয়েছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। আদালত জানতে চেয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বর্তমানে ঠিক কতগুলি মামলা রয়েছে। সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

এর আগে ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়া নিয়ে দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েন চলেছিল। প্রথমে নমুনা দিতে আপত্তি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেও পরে আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

শুনানির সময় বিচারপতি তদন্তে সহযোগিতা করার গুরুত্বের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে জানান, তদন্তে সহযোগিতা না করলে আদালতের দেওয়া সুরক্ষা প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতে আরও দুটি আবেদন জানানো হয়। প্রথম আবেদন ছিল, এই মামলায় নেওয়া কণ্ঠস্বরের নমুনা অন্য কোনও মামলার তদন্তে ব্যবহার করা যাবে না। দ্বিতীয় আবেদন ছিল, তদন্তের সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এই আবেদনের পর এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে। রাজ্যের পক্ষ থেকে কতগুলি মামলার তথ্য জমা দেওয়া হয় এবং আদালত রক্ষাকবচের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts