বারুইপুরে (Baruipur) নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং শিউলি সাহা। প্রথমে তাঁদের প্রবেশ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুক্ষণ আলোচনা হয়। পরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। বাইরে বেরিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক (Baruipur)। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান এবং পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
সায়নী ঘোষও পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত (Baruipur)। তিনি আরও বলেন, এমন ঘটনার পরে প্রশাসনের পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিনিধি দল বেরিয়ে আসার সময় স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান এবং তাঁদের উদ্দেশে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে। কিছু সময় উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে (Baruipur)।
প্রসঙ্গত, রবিবার ভোরে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় এক নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় অপহরণ, যৌন নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন।
এর আগে সোমবার তৃণমূলের অন্য এক প্রতিনিধি দলও নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিল। একই দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরও বারুইপুর যাওয়ার কথা রয়েছে। তিনি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেবেন এবং নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।













