বারুইপুরে (Baruipur) নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এখনও উত্তাল গোটা রাজ্য। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বারুইপুরের সূর্যপুরে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। পরিবার জানিয়েছে, নতুন সরকারের উপর তাদের ভরসা রয়েছে। তবে তাদের একটাই আক্ষেপ, হারানো সন্তান আর কোনও দিন ফিরে আসবে না (Baruipur)।
এদিকে প্রকাশ্যে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ। সেই ফুটেজ দেখে নিজের মেয়ের শেষ মুহূর্তের কথা তুলে ধরেছেন মৃতার মা (Baruipur)। তাঁর দাবি, ফুটেজে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন যুবক তাঁর মেয়ের হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মেয়ের হাতেও একটি খাবারের প্যাকেট ছিল। সেটি অভিযুক্তরাই কিনে দিয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, মেয়েকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্যই স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।
মেয়ের মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে বারবার ভেঙে পড়েন তিনি (Baruipur)। তাঁর কথায়, যেভাবে তাঁর মেয়ে কষ্ট পেয়ে মারা গিয়েছে, ঠিক তেমনই কঠোর শাস্তি যেন দোষীদের হয়। দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, অতীতের বহু ঘটনায় বিচার হয়নি। তবে এবার নতুন সরকারের কাছে তিনি ন্যায়বিচারের আশা করছেন।
ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, শারীরিক নির্যাতনের পর নাবালিকার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল। এরপর তাকে একটি বস্তার মধ্যে ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পুকুরে ফেলে দেওয়ার সময়ও সে জীবিত ছিল। পরে জলে ডুবে তার মৃত্যু হয়। মাথার আঘাত এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে (Baruipur)।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রতিটি দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।











