সকালে গ্রেপ্তার, আর বিকেল গড়ানোর আগেই জামিন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত থেকে মুক্তি পেলেন কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councilor) শামস ইকবাল। অভিযোগকারী আদালতে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তাঁর জামিনে আর কোনও বাধা থাকেনি। ফলে সরকারি পক্ষ থেকেও বিশেষ আপত্তি জানানো হয়নি।
শামস ইকবাল (TMC Councilor) কলকাতা পুরসভার একশো চৌত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলেই রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সোমবার সকালে গার্ডেনরিচ থানার পুলিশ তাঁকে (TMC Councilor) গ্রেপ্তার করে। অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগের মধ্যে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারাও ছিল।
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মহম্মদ শাদাবের দাবি, দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে শামস ইকবাল (TMC Councilor) এবং তাঁর কয়েকজন সহযোগী তাঁর কাছে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করেন। অভিযোগ, টাকা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, টাকা দেওয়ার পরও তাঁকে বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে শামস ইকবাল ছাড়াও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তে নেমেই পুলিশ শামস ইকবালকে গ্রেপ্তার করে।
তবে মামলাটি আদালতে উঠতেই ঘটনায় বড় মোড় আসে। অভিযোগকারী নিজের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়ে যাওয়ার কথা আদালতকে জানানো হয়। এরপরই আদালত শামস ইকবালের জামিন মঞ্জুর করে। ফলে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি আইনি স্বস্তি পান।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ প্রত্যাহারের কারণ এবং মামলার আকস্মিক মোড় নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












