Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • গুন্ডাদমন আইনেই কি এবার ফাঁসতে পারেন মমতা? বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি
রাজ্য

গুন্ডাদমন আইনেই কি এবার ফাঁসতে পারেন মমতা? বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি

mamata and bengal assembly
Email :3

রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে বিধানসভায় পেশ হওয়া গুন্ডাদমন বিল (Anti-goonda bill) ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিল নিয়ে আলোচনার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতীতের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে সরব হন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Anti-goonda bill)। তাঁর বক্তব্য, নতুন আইন কার্যকর হলে উসকানিমূলক বক্তব্যও প্রয়োজন অনুযায়ী আইনের আওতায় আসতে পারে।

সোমবার বিধানসভায় পেশ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল (Anti-goonda bill)। সরকারের দাবি, তোলাবাজি, জমি দখল, সংগঠিত অপরাধ, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, বেআইনি খনি ও বালি কারবারের মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করতেই এই আইন আনা হয়েছে। বিলে তদন্তকারী সংস্থা ও পুলিশকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ারও প্রস্তাব রয়েছে। গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বেআইনি সম্পত্তির বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিল (Anti-goonda bill) নিয়ে আলোচনার শুরুতেই আপত্তি জানান ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেপ্তারের সুযোগ থাকলে নির্দোষ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদের রাজনৈতিক কর্মসূচিকেও যদি সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বলে চিহ্নিত করা হয়, তবে তা গণতন্ত্রের পক্ষে উদ্বেগজনক হতে পারে। সেই কারণে তিনি বিলটি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব দেন।

এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, অতীতে একাধিক রাজনৈতিক নেতা এমন মন্তব্য করেছেন, যা সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে (Anti-goonda bill)। তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি পুরনো বক্তব্য এবং সাম্প্রতিক সময়ে হুমায়ুন কবীরের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, শুধু হাতে নয়, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েও অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে এই ধরনের মন্তব্যের বিরুদ্ধেও নতুন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

গুন্ডাদমন বিলকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। সরকার দাবি করছে, এই আইন রাজ্যে সংগঠিত অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা নেবে। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, আইনের কিছু ধারা ভবিষ্যতে অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। ফলে বিলটি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আগামী দিনেও জারি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts