বিশ্বজুড়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar 2)। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়েছে। গত ১৪ মে ছবিটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার পর নতুন করে উন্মাদনা ছড়িয়েছে পাকিস্তানেও।
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে ছবিটির (Dhurandhar 2) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু তার আগেই ছবির পাইরেটেড সংস্করণ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই পাক দর্শকদের মধ্যে ছবিটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর সেই উন্মাদনা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাভিয়া উমের ফারুকি দাবি করেছেন, পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের ট্রেন্ডিং তালিকায় এক নম্বরে উঠে এসেছে ‘ধুরন্ধর ২’ (Dhurandhar 2)। তিনি আরও জানান, ছবিটি মুক্তির দিন রাত বারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন বহু দর্শক। একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ লগ ইন করায় নাকি সাময়িকভাবে নেটফ্লিক্সের সার্ভারেও সমস্যা দেখা দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সিনেমা (Dhurandhar 2) চালানোর সময় বারবার বাফারিং হচ্ছে। ফারুকির দাবি, এটি ইন্টারনেট সমস্যার জন্য নয়, বরং একসঙ্গে অতিরিক্ত দর্শক সিনেমা দেখতে শুরু করাতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
রণবীরের অ্যাকশন, জমজমাট গল্প এবং সারা অর্জুনের সঙ্গে তাঁর রোম্যান্স ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জিতে নিয়েছে। তেরো থেকে তিরাশি— সব বয়সের দর্শকের মধ্যেই ছবিটি নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে (Dhurandhar 2)।
অন্যদিকে, ভারতীয় ছবির এই জনপ্রিয়তার মাঝেই চাপে পড়ে গিয়েছে পাকিস্তানের ছবি ‘মেরা লায়রি’। প্রচারের সময় ছবিটি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হলেও মুক্তির পর বক্স অফিসে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে। কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মুক্তির প্রথম দিনে মাত্র ২২টি টিকিট বিক্রি হয়েছিল।
নিজেদের দেশীয় ছবির তুলনায় ভারতীয় ছবিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় সোশাল মিডিয়ায় ট্রোলের মুখেও পড়েছে পাক সিনেমা ‘মেরা লায়রি’। অন্যদিকে ‘ধুরন্ধর ২’-এর জনপ্রিয়তা এখনও তুঙ্গে।












