মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের (Chandranath Murder) ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পেল পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের কাজে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছিল। সেই গাড়িতেই বাংলার নম্বর প্লেট লাগানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীরা বালি টোল প্লাজায় নগদ টাকা বা ফাস্ট্যাগ ব্যবহার না করে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টোলের টাকা দেয়। আর সেই পেমেন্টের সূত্র ধরেই তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে (Chandranath Murder) । কে ওই টাকা পাঠিয়েছিল, কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে পেমেন্ট করা হয়েছিল, এখন সেই তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
জানা গিয়েছে, বালি টোল প্লাজা পেরিয়ে গাড়িটি মধ্যমগ্রামের দিকে যায়। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে গাড়িটির গতিবিধি জানার চেষ্টা করছেন।
পুলিশ এখন চন্দ্রনাথ রথের খুনের (Chandranath Murder) দিন তাঁর চলাফেরার পুরো রুটও খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীদের ভাষায়, পুরো ঘটনাকে ‘ব্যাক ট্র্যাক’ করা হচ্ছে। অর্থাৎ দিনের শুরু থেকে কোন পথে তিনি গিয়েছিলেন এবং কখন কোথায় ছিলেন, সেই সব তথ্য জোড়া লাগানো হচ্ছে।
একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দুপুর তিনটে নাগাদ গাড়িটিকে মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় দেখা যায়। তার কয়েক ঘণ্টা আগে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও গাড়িটির উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
তদন্তকারীদের সন্দেহ, খুনের (Chandranath Murder) অন্তত ছয় থেকে সাত ঘণ্টা আগে থেকেই দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। মাঝের সময়ে গাড়িটি কোথায় কোথায় গিয়েছিল, এখন তা জানার চেষ্টা চলছে।
পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীরা আগে থেকেই এলাকা ঘুরে রেকি করছিল। কোন রাস্তা সরু, কোথায় সহজে গাড়ি ঘোরানো যাবে না, কোন এলাকায় আলো কম— এই সব কিছুই খতিয়ে দেখছিল তারা।
তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। খুনের পর দুষ্কৃতীরা কোথায় পালিয়েছে, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। তদন্তকারীরা বিভিন্ন সূত্র ধরে খুনের রহস্যভেদ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।













