লন্ডনের উত্তর-পশ্চিম অংশে ইহুদি সম্প্রদায়ের উপর ছুরি হামলার ঘটনার পর যুক্তরাজ্যে (UK) সন্ত্রাসের সতর্কতা স্তর বাড়ানো হয়েছে। আগে এই সতর্কতা ছিল ‘সাবস্ট্যানশিয়াল’, এখন তা বাড়িয়ে ‘সিভিয়ার’ করা হয়েছে। এর অর্থ, দেশে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা অত্যন্ত বেশি।
যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাস বিশ্লেষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাম্প্রতিক হামলার কারণে নয় (UK)। বরং দীর্ঘদিন ধরে দেশে ইসলামপন্থী চরমপন্থা এবং ডানপন্থী চরমপন্থার ঝুঁকি বাড়ছিল, যার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশের (UK) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত অনেকের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য, যারা আগেও বহুবার হামলার শিকার হয়েছেন। সরকার তাদের নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত তহবিল বরাদ্দ করেছে এবং সিনাগগ, স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারের নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।
সরকারের (UK) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘৃণামূলক অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ রোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে।
এর আগের স্তরে সতর্কতা ছিল ‘সাবস্ট্যানশিয়াল’, যার মানে হামলার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু নতুন স্তর অনুযায়ী এখন হামলার আশঙ্কা আরও বেশি।
এই ঘটনার সূত্রপাত হয় লন্ডনের একটি এলাকায়, যেখানে দুইজন ইহুদি নাগরিককে রাস্তায় ছুরি দিয়ে আক্রমণ করা হয়। তাদের বয়স যথাক্রমে ছিয়াত্তর এবং চৌত্রিশ বছর। ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা এখন পুরো ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য জঙ্গি যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন।
সব মিলিয়ে লন্ডনের এই হামলা ও তার পরবর্তী সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।













