দুই দফার ভোট শেষ হতেই আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Repoll)। কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা ঠিক করতে এবার সরাসরি মাঠে নেমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নিজে তাঁকে ফোন করে দ্বিতীয় দফার ভোট নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চান। পাশাপাশি যে সব জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Repoll)।
প্রথম দফার ভোটে কোনও অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই একসঙ্গে সাতাত্তরটি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি উঠেছে। সবকটি বুথই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার চারটি বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে ফলতা থেকে, সংখ্যা বত্রিশ। ডায়মন্ড হারবারে উনত্রিশটি, মগরাহাটে তেরোটি এবং বজবজে তিনটি অভিযোগ জমা পড়েছে (Repoll)।
অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে, কোথাও আবার ইভিএমে আতর দেওয়া হয়েছে। কিছু জায়গায় ক্যামেরা ঢেকে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এর পাশাপাশি একটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে, ভোটারের জামার পকেটে গুপ্ত ক্যামেরা রাখা হয়েছিল, যাতে বোঝা যায় তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন। এই অভিযোগ এসেছে ডায়মন্ড হারবারের মগরাহাট পশ্চিম এলাকা থেকে (Repoll)।
একাধিক অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে কমিশন। জানা গিয়েছে, আজই বিশেষ পর্যবেক্ষক সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি পরিদর্শনে যাবেন। তাঁর সঙ্গে অন্য পর্যবেক্ষকরাও থাকবেন। বুথে গিয়ে সরাসরি সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
এই পরিদর্শনের পরই ঠিক হবে কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। ফলে পরিস্থিতি এখন বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।











