সংসদের উচ্চকক্ষে হঠাৎই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন (Rajya Sabha)। আম আদমি পার্টির সাতজন রাজ্যসভার সাংসদ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন। এর ফলে রাজ্যসভার অঙ্কে বড়সড় বদল দেখা গেল। সোমবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগে যেখানে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা ছিল একশো ছয়, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে একশো তেরোতে। অন্যদিকে, একসময় দশজন সাংসদ থাকা আপ এখন কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র তিনে (Rajya Sabha)।
যে সাতজন সাংসদ দল বদল করেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাঘব চাড্ডা, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রমজিৎ সাহনি (Rajya Sabha)। তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর দলবিলয়ের আবেদন করেন, যা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন রাজ্যসভার তালিকায় তাঁদের বিজেপি সাংসদ হিসেবেই দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনার ফলে শুধু বিজেপির শক্তিই বাড়েনি, বরং এনডিএ জোটের মোট সংখ্যাও অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। এখন রাজ্যসভায় এনডিএর আসনসংখ্যা প্রায় একশো আটচল্লিশে পৌঁছেছে, যা আইন পাশ করানোর ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।
এই ঘটনায় বড় ধাক্কা খেয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আপ (Rajya Sabha)। দল ইতিমধ্যেই এই দলবদলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি তুলেছে। তবে সেই দাবি কার্যত খারিজ হয়ে গিয়েছে। ফলে রাজ্যসভার বর্তমান সমীকরণে বড় পরিবর্তন এল।
উল্লেখ্য, রাজ্যসভায় মোট আসন সংখ্যা আড়াইশোর কাছাকাছি। সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন একশো ছাব্বিশটি আসন। ইতিমধ্যেই এনডিএ সেই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবার এই নতুন সংযোজনের ফলে বিজেপি এককভাবেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল। এই পরিবর্তনের ফলে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












