দুই হাজার তেরো সালের যৌন নিগ্রহ মামলায় সাংবাদিক ও তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) খালাস দিয়েছিল গোয়ার একটি নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা হয় উচ্চ আদালতে। এবার সেই মামলার রায়দান আপাতত স্থগিত রাখল বম্বে উচ্চ আদালত। কবে রায় ঘোষণা হবে, তা এখনও জানানো হয়নি।
এই মামলায় গোয়া সরকারের হয়ে সওয়াল করছেন সরকারি আইনজীবী তুষার মেহতা। অন্যদিকে, তরুণ তেজপালের (Tarun Tejpal) পক্ষে আদালতে লড়ছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অবোধ পন্ডা।
ঘটনার সূত্রপাত দুই হাজার তেরো সালে। গোয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)। অভিযোগ, সেই সময় একটি হোটেলের লিফটের ভিতরে তাঁর এক মহিলা সহকর্মীকে যৌন নিগ্রহ করা হয়। পরে ওই মহিলা গোয়া পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জামিন পান। এরপর মামলায় ধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত হয়। দীর্ঘ শুনানির পর দুই হাজার একুশ সালে গোয়ার নিম্ন আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার।
শুনানির সময় সরকারি পক্ষের আইনজীবী তরুণ তেজপালের (Tarun Tejpal) একটি ক্ষমা চাওয়ার ইমেলের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, যদি কোনও ঘটনা না-ই ঘটে থাকে, তাহলে ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন পড়ল কেন? তিনি আদালতে প্রশ্ন তোলেন, ওই ইমেল এবং অভিযোগকারীর পরিবারের কাছে দুঃখপ্রকাশের বিষয়টি ঘটনার গুরুত্বকেই সামনে আনে। তাঁর মতে, বর্তমান অবস্থান এবং আগের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে।
এখন এই মামলার দিকে নজর গোটা দেশের। উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে দুই পক্ষই। রায় কবে ঘোষণা হবে, তা এখনও জানায়নি আদালত।












