ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও ভোটারকে ভয় দেখানো হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি বা আইসি-কে কঠিন পরিণতির মুখে পড়তে হবে।
দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে কমিশন। সেখানে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। বৈঠকে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে থেকেই সব এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে হবে এবং কোনওরকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না (Election Commission)।
কমিশন জানায়, কোনও এলাকায় বিস্ফোরক উদ্ধার হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে কোনওরকম গাফিলতি চলবে না। ভোট যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ হয়, সেই লক্ষ্যেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধি এবং পুলিশ কর্তারা।
ভোটের দিন কড়া নজরদারির কথাও জানানো হয়েছে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে এবং সরাসরি তার ছবি দেখা যাবে। ভোটার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক ছাড়া অন্য কাউকে বুথে ঢুকতে দেওয়া হবে না। কেউ নিয়ম ভাঙলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Election Commission)।
বুথের আশপাশের সরু গলিতে টহল দেওয়ার জন্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইক ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এদিন কাকদ্বীপে গিয়ে মনোজ আগরওয়াল বলেন, রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানোই লক্ষ্য। ভুয়া ভোট বা ভয় দেখানো কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কেউ ভোট দিতে বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Election Commission)।
এছাড়া বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্তদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনার তদন্ত করবে জাতীয় তদন্ত সংস্থা।
কমিশন জানিয়েছে, শুধু প্রশাসন নয়, প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। সব দিকেই নজর রেখে ভোটকে শান্তিপূর্ণ করার চেষ্টা চলছে।













