দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ডায়মন্ড হারবারকে ঘিরে নতুন কৌশল নিল নির্বাচন কমিশন। অতীতে একাধিক অশান্তির অভিযোগ ওঠায় এই কেন্দ্রকে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কমিশন এই জায়গাকে সামনে রেখে রাজ্যের অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায় বার্তা দিতে চাইছে। এই নতুন পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ ( Daimond Harbour Model)।
ডায়মন্ড হারবার-কে কেন্দ্র করে কমিশনের ( Daimond Harbour Model) মূল লক্ষ্য হল, পুলিশ ও প্রশাসন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে। কোনও পুলিশ আধিকারিক যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন বা কোনও রাজনৈতিক দলের সুবিধা করে দেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। শুধু সাময়িক বরখাস্ত নয়, বিভাগীয় স্তরেও কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।
সম্প্রতি ডায়মন্ড হারবারে পাঁচজন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করেননি এবং পর্যবেক্ষকদের কাজের উপর নজরদারি চালাচ্ছিলেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে ( Daimond Harbour Model) ।
শুধু পুলিশ নয়, এলাকায় প্রভাবশালী দুষ্কৃতীদের দিকেও নজর দিচ্ছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার ভোটকে সামনে রেখে প্রায় এক হাজার দুষ্কৃতীর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ, এরা ভোটের দিন সাধারণ মানুষকে ভয় দেখায় এবং ভোট দিতে বাধা দেয়। কমিশন জানিয়েছে, এই তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা ভোটের দিন এলাকায় প্রভাব ফেলতে না পারে।
এই নতুন কৌশল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কমিশনের এই পদক্ষেপ কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।







