বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট না পেলেও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন বিদায়ী বিধায়ক ও অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী (Ashok Lahiri)। জানা গিয়েছে, তাঁকে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান করা হতে পারে। অতীতে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবেও কাজ করেছেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন তিনি, তবে এবার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। কিন্তু তার বদলে কেন্দ্রীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে তাঁকে (Ashok Lahiri)।
নীতি আয়োগের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করবেন অশোক (Ashok Lahiri)। এর আগে এই পদে ছিলেন সুমন বেরি। এই পদটি মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের সমান গুরুত্ব বহন করে। তাই রাজনৈতিক মহলে অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনে টিকিট না পেলেও অশোককে বড় সম্মানই দিল কেন্দ্র।
গতবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অশোক (Ashok Lahiri)। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। শুধু অশোক নন, বাংলার আরও এক পরিচিত মুখকে নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসকে সদস্য হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। গত নির্বাচনে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র থেকে তিনি বিজেপির প্রার্থী ছিলেন, যদিও জয় পাননি। এবারের ভোটেও তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়নি (Ashok Lahiri)।
দুই বাঙালিকে একসঙ্গে নীতি আয়োগে জায়গা দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনের সময় এই সিদ্ধান্তের পিছনে বিশেষ রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে।
অশোক লাহিড়ী দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। তিনি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। বিশ্বব্যাঙ্ক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক উপদেষ্টা এবং পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। অন্যদিকে, গোবর্ধন দাস একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক এবং বর্তমানে ভোপালের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
সব মিলিয়ে ভোটের আবহে এই নিয়োগ নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে।









