জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বিরোধী দলগুলিকে একের পর এক আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় আধ ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি বারবার কংগ্রেসের (Congress) নাম করেন। তাঁর দাবি, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী আটকে দিয়ে বিরোধীরা বড় অন্যায় করেছে। তিনি এটিকে ভ্রুণহত্যার সঙ্গে তুলনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, সরকারি মঞ্চ ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য রাখা হয়েছে, যা সংবিধান ও গণতন্ত্রের পরিপন্থী। কংগ্রেস (Congress) সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, হতাশা থেকেই প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণকে রাজনৈতিক প্রচারে পরিণত করেছেন। তাঁর মতে, এই ভাষণ বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যায় ভরা।
খাড়গে (Congress) আরও দাবি করেন, এত বড় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বহুবার কংগ্রেসের নাম নিয়েছেন, কিন্তু মহিলাদের প্রসঙ্গ তুলেছেন খুব কম। এতে বোঝা যায়, সরকারের অগ্রাধিকার কী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির কাছে মহিলাদের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা।
কংগ্রেসের বক্তব্য, তারা সবসময়ই মহিলা সংরক্ষণের পক্ষে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তাদের দাবি, এই বিলের আড়ালে আসলে দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, দেশের সর্বোচ্চ পদে থেকে জাতীয় মঞ্চ ব্যবহার করে সরাসরি বিরোধীদের নাম করে আক্রমণ করা কতটা ঠিক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।












