Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • যুদ্ধ থামলেও চাপে বিশ্ব! হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়মে দুশ্চিন্তা
বিদেশ

যুদ্ধ থামলেও চাপে বিশ্ব! হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়মে দুশ্চিন্তা

jiwani airbase
Email :5

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মাঝেই হরমুজ প্রণালী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল ইরান। যুদ্ধবিরতির পরও দিনে মাত্র ১৫টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তেহরান (Strait of Hormuz)। আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১৪০টি জাহাজ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করত, সেখানে এই সিদ্ধান্তে প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যাবে চলাচল। ফলে বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

হরমুজ প্রণালী ইরান ও ওমানের মাঝে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক পঞ্চমাংশ তেল পরিবহণ হয় (Strait of Hormuz)। শুধু তেল নয়, সার ও বিভিন্ন পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এখানে যেকোনও বাধা সরাসরি প্রভাব ফেলে আন্তর্জাতিক বাজারে।

ইরান জানিয়েছে, এই পথ (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণভাবে তাদের অনুমতির উপর নির্ভর করবে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর নজরদারিতে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। যুদ্ধের আগের অবস্থায় আর ফেরা হবে না বলেও স্পষ্ট করেছে তারা।

গত ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পর থেকেই কার্যত এই পথ দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায় এবং সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে এই পথ আবার খুললেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে তেহরান (Strait of Hormuz)।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজগুলিকে ইরানের অনুমতি নিতে হবে এবং নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। জানা গিয়েছে, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য একটি নির্দিষ্ট অর্থ নেওয়া হতে পারে, যা ডিজিটাল মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে চাইছে ইরান।

এদিকে আমেরিকার তরফেও নতুন প্রস্তাব সামনে এসেছে। হরমুজ প্রণালীতে চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার কথা ভাবছে তারা। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলিকেও এই পথ নিরাপদ রাখতে দ্রুত পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে পরিস্থিতি এখনও অস্থির। যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণের মধ্যেই লেবাননে হামলার প্রতিবাদে আবারও তেলের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় ইরান। ফলে এই চুক্তি কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts