বড়সড় জঙ্গি বিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেল পঞ্জাব পুলিশ (Terrorists)। বৃহস্পতিবার তারা জানায়, একটি জঙ্গি চক্রকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের যোগ ছিল বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার মদত এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহও রয়েছে। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে (Terrorists)।
পুলিশ জানিয়েছে, অমৃতসর গ্রামীণ, গুরদাসপুর এবং বিশেষ অভিযান শাখার যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়েছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই চক্রটি বিদেশে থাকা এক ব্যক্তির নির্দেশে চলছিল, যা সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি (Terrorists) কার্যকলাপের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
পঞ্জাব পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক গৌরব যাদব জানিয়েছেন, এটি একটি বড় সাফল্য এবং এই চক্রের কার্যকলাপ অত্যন্ত বিপজ্জনক ছিল। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশের দাবি, পাঁচটি হ্যান্ড গ্রেনেড, বিশেষ ডেটোনেটর, টাইমার, ব্যাটারি এবং প্রায় এক কেজি উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে (Terrorists)। এই বিস্ফোরকের মধ্যে পেরেক ভরা ছিল, যা দেখে অনুমান করা হচ্ছে এটি শক্তিশালী বোমা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। পাশাপাশি যোগাযোগের জন্য একটি ওয়াকিটকি এবং বিস্ফোরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে।
তদন্তকারীদের মতে, এইসব সামগ্রী দেখে স্পষ্ট যে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যার লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো।
এই ঘটনায় গুরদাসপুরের কলানৌর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ এখন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজ করছে এবং বিদেশি যোগের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি পঞ্জাবে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের বাইরে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার পরই এই অভিযান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই সেই মামলায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে মূল চক্রীদের খোঁজ এখনও চলছে।
এই ঘটনার পর পঞ্জাবজুড়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।













