পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ঈদ উপলক্ষে সাময়িকভাবে সংঘর্ষ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (Ceasefire)। বুধবার দুই দেশই জানিয়েছে, মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাসের শেষে শান্তি বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আফগানিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে, সৌদি আরব, কাতার এবং তুরস্কের অনুরোধে তারা এই সাময়িক বিরতিতে রাজি হয়েছে (Ceasefire)। অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামিক দেশগুলির আবেদনে বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাঁচ দিনের জন্য এই যুদ্ধবিরতি থাকবে (Ceasefire)।
তবে পাকিস্তান সতর্ক করে দিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে যদি কোনও সীমান্ত হামলা, ড্রোন আক্রমণ বা সন্ত্রাসবাদী ঘটনা ঘটে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ফের সামরিক অভিযান শুরু হবে এবং তা আরও তীব্র হতে পারে (Ceasefire)।
এর আগে সীমান্তে সংঘর্ষে পাকিস্তানের একাধিক সেনা নিহত ও আহত হয়েছেন। উত্তর ওয়াজিরিস্তানের একটি সীমান্ত চৌকিতে হামলার ঘটনায় উত্তেজনা চরমে ওঠে। দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলিবিনিময়ের খবরও সামনে এসেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অনেকটাই বেড়েছে। পাকিস্তান বারবার অভিযোগ করছে, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে জঙ্গি সংগঠনগুলি তাদের দেশে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করে তারা অভিযোগ তুলেছে। তবে আফগানিস্তান সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে (Ceasefire)।
এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি পাকিস্তান আফগানিস্তানের একাধিক জায়গায় বিমান হামলা চালায় বলে জানা গেছে। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে ওঠে (Ceasefire)।
বর্তমানে রাজধানী কাবুলেও উত্তেজনা বজায় রয়েছে। আকাশে যুদ্ধবিমানের চলাচল নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এই আবহে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কিছুটা স্বস্তি দিলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।












