Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • সিলিন্ডারের আশায় ভোরে লাইনে, কিছুক্ষণ পরেই নিথর দেহ! পাঞ্জাবে হৃদয়বিদারক ঘটনা
দেশ

সিলিন্ডারের আশায় ভোরে লাইনে, কিছুক্ষণ পরেই নিথর দেহ! পাঞ্জাবে হৃদয়বিদারক ঘটনা

lpg price
Email :4

রান্নার গ্যাসের সংকট ঘিরে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে (LPG Crisis)। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই পাঞ্জাবে ঘটল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। গ্যাস সিলিন্ডার নেওয়ার জন্য ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক বৃদ্ধ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে করতে আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন (LPG Crisis)।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম ভুষণ কুমার মিত্তল। তাঁর বয়স ছিল ছেষট্টি বছর। শুক্রবার পাঞ্জাবের বারনালা জেলায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানকার শেহনা এলাকায় ভোর থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার নেওয়ার জন্য মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। ভুষণ কুমারও ভোরবেলা লাইনে দাঁড়ান (LPG Crisis)।

সকাল আটটার দিকে তিনি একটি কুপন পান এবং দেখেন তাঁর নম্বর পঁচিশ (LPG Crisis)। কিন্তু ক্রমেই লাইন দীর্ঘ হতে থাকে। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়েও তিনি সিলিন্ডার পাননি। সকাল প্রায় দশটার দিকে হঠাৎই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের মানুষ তাঁকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে রান্নার গ্যাসের সংকট নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও সামনে এসেছে (LPG Crisis)।

দেশের বহু জায়গার মতো পাঞ্জাবেও এখন গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রশাসন ও গ্যাস সংস্থার পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও পরিস্থিতি খুব একটা বদলায়নি। অনেক জায়গাতেই সিলিন্ডারের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে মানুষকে।

দাম বাড়ার পর থেকে বাণিজ্যিক গ্যাসের সরবরাহও অনেক জায়গায় কমে গেছে বলে অভিযোগ। বাংলাসহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে রান্নার গ্যাসের জোগানে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে বুকিং করতে গিয়েও নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক হোটেল ও রেস্তরাঁও সমস্যায় পড়েছে। গ্যাসের ব্যবহার কমাতে অনেকেই বৈদ্যুতিক রান্নার যন্ত্র ব্যবহার শুরু করেছেন। ইনডাকশন চুলা এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে।

অন্যদিকে অতিরিক্ত গ্যাস মজুত করা বন্ধ করতে বুকিংয়ের ব্যবধানও বাড়ানো হয়েছে। আগে একুশ দিনের ব্যবধানে বুকিং করা যেত, এখন তা বাড়িয়ে পঁচিশ দিন করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের একশো চল্লিশ কোটি মানুষের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তাঁর কথায়, করোনা মহামারির মতোই এই সংকটও দেশ একসঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবে। নাগরিকদের যাতে কোনও সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই জন্য সরকার সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যা কাটানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

 

 

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts